Bhutan – land of happiness

See the source image

 

We started from Kolkatha after   an hour delay  and arrived safely at Paro Airport at 11 AM. The flight captain took the Boeng 737  just as Joy ride showing the fissures and planes of middle Himalayan.   

While flying above we could see a mountain peak,Jomolhari (bride of Kanchunjhanga) 24,035 ft, rising above the sea of white clouds. Paro International airport is a small airport , a piece of flat land in  the deep valley of Bhutan. The approach to the airport needs careful flying through the valley , which very few pilots in the world could manage.

The airport was spic and pan , the staff all in uniform greeted us on arrival. Modestly decorated , the piece of land speaks about the modesty and humility of the religion. We drove for twos  hour from Paro airport through valleys and mountains to reach Capital Thimpu. Altitude of Thimphu: 2350 mts. Temperature warm 28 C. Stayed at hotel “City Hotel” ,Spacious room , modern bath, Wooden floor with high ceilings at the top floor (fourth).

 

A small monastery near our hotel. It was early morning,still devotees are going round ringing bells and turning prayer wheels.The writings on prayer wheels are six sanskrit syllables and it says ‘Om Mani Padme Hum’ – The Jewel seating on a lotus.

om-mani-peme-hum

In Bhutan it is often written in Tibetan font. One who turns the wheel , supposed to have recited the chant and almighty have listened.

  

The main attraction of Thimpu is the gigantic statue of Shakyamuni Buddha ,known as Buddha Dodenma. It is said that in the 8th century Buddhist monk from Indian subcontinent  known as Padmasambhava , also known as Guru Rinpoche, constructed the first Buddhist monastery in Tibet. He had prophesied that “a statue of Shakyamuni would be built in the region between Wong and Paro, bestow blessings of peace and harmony in the world”. The writing was revealed after 672 years ,but the letter requesting to build was delivered much later exactly after 1999 years after it was written. Buddha Dordenma is a gigantic Shakyamuni Buddha statue in the mountains of Bhutan celebrating the 60th anniversary of fourth king Jigme Singye Wangchuck. With a Zero starting budget the project started in the year 2006 and finsished in 2015.

Inside the hall there are paintings depicting the life history of shakyamuni and numerous small Buddha’s Idol surrounding the Bodhisatta.

 

Memorial Stupa, Thimphu, also known as the Thimphu Chorten, is a stupa   The stupa, built in 1974 to honor the third Druk GyalpoJigme Dorji Wangchuck (1928–1972).This does not enshrine human remains , but Druk Gyalpo’s photo in a ceremonial dress adorns a hall in the ground floor.

National Animal Takin   is also called cattle chamois or gnu goat,is a large species of ungulate  found in the eastern Himalayas . Recently mitochondrial DNA studies have identified close relation with Sheep families.

 

The Punakha Dzong,   is the administrative centre of Punakha district  in Punakha,  Bhutan. Constructed by Ngawang Namgyal , 1st Zhabdrung Rinpoche, in 1637–38,it is the second oldest and second largest Fortress  and having most majestic structures.  It was also the seat of administrative government of Bhutan till 1955, when it was transferred to Thimpu.

 

The Dochula Pass is a mountain pass at a height of 10,200 ft  on the road from Thimpu to Punakha where 108 memorial chortens or stupas known as “Druk Wangyal Chortens” have been built by Ashi Dorji Wangmo Wangchuk, the eldest Queen Mother . Apart from the chortens there is a monastery called the Druk Wangyal Lhakhang (temple), built in honour of the fourth Druk Gyalpo (head of the state of Bhutan), Jigme Singye Wangchuck.

Day 04:            28-April-2019             Punakha/Wangdue – Paro Sightseeing (Distance: 140 kms. / Driving Time: 5 hrs. / Altitude of Paro: 2280 mts.)

  • stop at Lamperi to visit Royal Botanical Park.
  • Check in at the hotel.

 

  • Ta Dzong – National Museum
  • Evening free for leisure. Overnight stay at Paro.

 

Day 05:            29-April-2019             Paro Sightseeing

  • Taktsang Monastery – called “Tiger’s Nest” (2hrs hike from the base camp).
  • Later visit Drukgyel Dzong & Kyichu Monastery.
  • Overnight stay at Paro

Day 06:            30-April-2019             Paro Airport

check out from hotel and drop at Paro Airport

ধাক্কা

alg-overweight-jpg (2)

ছিল বেশ বড় টিকেটের লাইনটা,

তার উপর মাত্র দু’টি কাউন্টার,
তখন বাজে রাত আটটা,
ভাবছিলাম ফ্লাইট মিস হবে এবার।

লাইনে দাড়িয়ে বহু আমার মত,
জোয়ান বৃদ্ধ ভিন্ন রকমের সাজ,
সবার মনে একই ভাবনাই তত,
ফ্লাইট টা সত্যিই মিস হল আজ।

কোনো রকমে তো পেলাম বোরডিং পাস
সিকিউরিটি তে হাহুতাশ করার পালা,
ব্যাগ কাধে নিয়ে ভালুকের মত উদাস,
অল ক্লিয়ার পরে দৌড়ানোর ঠ্যালা।

প্লেনবাবুর গাড়ি আসবে নিতে
গেটে চলা পথ বেশ খানিকটা,
লেংচে লেংচে ফির হল চলতে,
গিয়ে দেখি খালি কাউন্টারটা।

দৌড়ে গিয়ে দেখালাম আমার টিকিট,
সুইং করে সোয়াইপ করলেন মেশিনে,
চমকে সহসা বলে উঠলেন আউট,
‘প্লেন আপনার এখনো বাকি আসতে’।

ধুর ছাই বলে বসলাম ফিরে চেয়ারে,
ধাই ধাই করে না এলে হত তবু ভাল,
সময় কাটানোর জন্য দামী চা কিনে,
বসি গিয়ে চেয়ারে আমি এক হতভাগ্য।

ডাক পড়ল অনেকপরে মাঝরাতের দিকে,
ভেড়া চড়ানোর মত উঠতে হল বাসেতে,
কেতরাতে ছ্যাচরাতে বসলাম যখন প্লেনে,
পেল্লাই মুশকো আমার চেয়ারে বসে।

বলি অমায়িক ভাবে,’ দেবেন আমার সিটটা?’
ফিরে জবাব এল,’আছে নাম আপনার লেখা?’
এ কি রে বাবা বলে কিরে ভদ্রলোকটা,

‘জোর যার মুলুক তার ‘হল কি না ব্যাপারটা ।

ঝামেলা দেখে এয়ার হোশটেস এলেন তখন ছুটে,
‘দেখান তো দেখি টিকিট আপনাদের কি রকম আছে?’
অনেকক্ষন ধরে দেখেন তিনি বিজ্ঞপন্ডিত ভাবে,
‘আপনার প্লেন তো আছে দাঁড়িয়ে ওইতো এরই পাশে’।

মুশকো লোকটি উঠতে বসতে বেজায় হাক ডাক,
‘দেখছেন তো মেলা,কোমড়ে ব্যাথা উঠতে কত কষ্ট’,

ওই প্লেনে চড়ে যাননা আপনি , যেখানে যাকনা যাক,
বসেই আমি পড়েছি যখন টিকিট হোক মোর নষ্ট’।

আবার ফির মুচকি হেসে বলি তখন আমি,
‘বেশ মজা করেন তো আপনি আমার সময়ের সাথে,
কোথায় যাবে না যাবে জেনে
চড়লেন কি করে এই প্লেনেতে’।

হঠাৎ দেখি উঠলেন তিনি জোরে জোরে কেদে,
‘এইতো আমি এলাম এখন ওই প্লেনেতেই চড়ে,
‘পড়ল হঠাৎ মনে এখন ,এসেছি দুধ বসিয়ে,
যেতে হবে বাড়ি তাড়াতাড়ি, অন্যেথা দুধবাটি যাবে পুড়ে’।

বিদায়

See the source image

সারাটি জীবন সাগর তীরে
ঝিনুক নুড়ি খুজে বেড়াতাম,
যা কিছু পেয়েছি ভাল ভেবে,
মনকুঠরিতেই তুলে রাখতাম।
আশা ছিল তাই ছেলেবেলা থেকে,
পাই যা কিছু আমার বলে,
দেব তার আচলে উজার করে,
মনকুঠরিটা সম্পুর্ণ খালি করে।
এসেছে সেই দিন আজ আমার,
সমস্ত ভাল তোমায় দিলাম,
যেটুকুই খারাপ যা ছিল তোমার,
সেসব কেড়ে আমি বিদায় নিলাম।

আয়না

দেরাজে ছিল পড়ে বইখানা,
কেনার পর হয়নি পড়া আমার,
অদ্ভুত তার, নাম ছিল ‘আয়না’
কি ভেবে কেনা মনে পড়েনা আর।

খুলি দেরাজ রোজ সকাল বিকেলটা,
হাতে নিই বই, কিছু পড়ব বলে,
কখনও হয় না নেওয়া এই বইটা,
সে যেন লুকিয়ে পড়ে সবার পিছনে।

চলে গেল অনেক শীত বসন্ত,
বই পড়তে পড়তে চুল হল সাদাটি,
পড়েছি গল্প,রোমান্স, কাব্য অনন্ত,
করেছি আলোচনা কত অন্যের চরিত্রটি।

করতাম একসময় চুলচেরা বিস্লেষন
গল্পের নায়ক নায়িকার মনভাবনা,
সাহিত্যিকের সেই অক্লান্ত পরিবেশন,
আমার কিশোর মনে আনত দোলা।

বহুদিন পড়ে,
দেরাজ পরিস্কারের ছলে
হাতে পড়ল বইটা,
মলাটের রঙ হয়ছে মলিন
আমারই মতন রোগাপ্যাটকা।

দূপুরবেলা কি করব ভেবে,
আরাম করে কেদারায় বসে ,
খুললাম বইয়ের প্রথম পাতা,
চমকে উঠি দেখে,
এ যে আমরই নাম লেখা।
ভীতরের সমস্ত পৃষ্ঠা
সব খালি খালি
ভাবি কোথায় গেল অক্ষরগুলি।

কিছুক্ষন পরে দেখি উঠেছে ফুটে,
সাদা কালোয় সমস্ত লেখাখানি,
পড়লাম কিছু, মনে হল চেনা,
এ আমারই শৌশবের কাহিনী,
আমার মূড়তা,আমার ব্যার্থতা,
আমার জীবনের সকল কথা।

ভাবলাম আমি কেন এখন
করতে পারিনা বিশ্লেষণ,
আমরই চরিত্র,আমার অকর্মনতা
অসামাপ্ত প্রতিশ্রুতির কারুর বেদনাটা।
কতদিন গেল,
পড়া হয়নি কেন বইটা আমার,
পড়লে আগে,পারতাম তো কিছু
ঠিক করতে আবার।

আবার ভাবি,
কবে লিখলাম আমি,
আমার জীবনের লিপিকথা,
লেখা আছে সব বইখানা খানি,
মাঝে মাঝে পরতাম যদি,
যেতাম তখন সঠিক পথে আমি।

চমকে উঠি সহসা,
কোন এক শব্দ এল কানে,
বইটা হাত থেকে নিচে পড়া,
বসে যেন কিছু না জানে।
আবার তুলে খুলে দেখি পাতা,
সব খালি খালি কিছু তো নেই লেখা,
কোথায় গেল সেই আমার মনের কথা।

মলাটের উপর চোখ পড়ল,
বইয়ের নাম যে “আয়না”,
এক মুহুর্তে শিখিয়ে দিল,
মাঝেমধ্যেই জীবনটা দেখিনা ফিরে,
হয়ত কাউকে দিয়েছি বেদনা,
এখনো আছে সময়,
তার অশ্রু মোছা।

থালা চামচের রেষারেষি

রেষারেষি সর্বদা
স্টিলের চামচে আর থালা
দুইজনার থাকা শোবার,
ব্যাবস্থা আলদা,
কখনো সকনো হয় দেখা
খাবার টেবিলে,
শুরু হয় ঝগড়া
একসাথে হয়েছে কি হয়েছে।

চেচামেচি কান্নাকাটি
বকাবকি কানাকানি,
দুইজনের রেষারেষি,
আওয়াজের ভেদ না জানি,
চলতে থাকে ততক্ষন,
ঠনঠনান টনাটন,
অন্তরের বিদ্দেষ বিলক্ষন,
বিচ্ছেদ করিনা যতক্ষন।

একটু যদি স্পর্শ হয়,
ঠং করে দেয় জানান,
ধীরে চালাও আমায়,
বনিবনা যে নয় তেমন।

সেদিন খাবার পরে দেখি,
বসে দুজনে খালি থালায়,
চুপচাপ কোন নেই শব্দটি,
কথাবারতাটি নেই তো দুজনায়।

ভাবনা এল সত্যিই তো,
রেষারেষির মূল কারণ,
আমিই তো।

আমারই অসহিষ্ণুতা,
জানান দিল যে,
বেশ ওরা দুইজনা,
তৃতীয় ব্যাক্তি আমি কে।

দুইজনে যদি ভাল থাকে,
যতই না হোক ভেদাভেদ,
আছে যখন নিয়ে অপরকে,
তৃতীয়র ব্যার্থ প্রচেষ্টা, করে উচ্ছেদ।

রাস্তা

বেশ পড়েছে আজ সকালের রোদটা,
কাচা সোনা রঙ,উষ্ণ, একটি তেরছা,
পরদার ফাকে নজরে পড়ে রাস্তা,
রবিবার তবুও ছোটছুটিতে ব্যাস্ততা,
মোটরবাইক,বড়ছোটো গাড়ি কি নেই,
নানান মডেল চারচাকার হামাগুরি সেই,
চালক ছেলেমেয়ে জোয়ান মধ্য নির্বিশেষে,
সামনে দিয়ে হুশ করে যায় বেকে,
গাড়ির চলার শব্দটা অদ্ভুতরকম,
আস্তে শুরু, তার পর জোরকদম,
ছিটিয়ে যায় একগাদা রাস্তার নোংরা,
দোরগোড়ায় থাকে একগুচ্ছ হ্যাংলা,
রোজসকালে দিই সামনাটা জলে ধুয়ে,
যদি কেউ পা দেয় খোলা দরজা দিয়ে,
একই কারনেই আমি ভোরে করি স্নান, কখনো কেউ না দেখে মোরে ম্রিয়মান।

নিম গাছের বয়স

নিম গাছটার বয়স তখন ছয় কি সাতা,
আমার বাড়ি তখন নতুন গড়া,
আসত শীতল হাওয়া সারাদিন ধরে,
ঘন সবুজ পাতার ফাক দিয়ে,
বৃষ্টির জল গাছ ভিজিয়ে পড়ত হয়ত দেয়ালে,
নতুন বাড়ি, কালো দাগে বুঝিয়ে দিত আমাকে,
তেলে বেগুনে রাগ, তা না হলে কি ফাটল ধরায়?
রঙ করতে ট্যকের পয়সা বেশ গচ্ছা যায়,
নিম গাছ টি বেমানান পাতা ঝরাত,
সারা দিন ধরে বারান্দায় লুটোপুটি খেতো,
তবে ঝরা পাতায় সবুজের থেকে বাদামী বেশ
শুকনো হাওয়ার তালে তালে পড়ত শেষ,
এই নিম গাছে ফুল দেখিনি কখনো,
তবুও চোখের সামনে বেড়ে চলেছে অনন্য।।