my wish












you inspired me
to be the better part of me,
you applied your special herb,
whenever you  see my injured heart,
your flash of smile,
lights up my mind,
even if I wish,
I can give you nothing of my own,
just because,
it is already been yours,
I therefore place a rose,
before thee,
sometime when I am not around,
pick it up and whisper,
three word for me.

ভোর বেলা












আমার ভাংগা ঘরের ব্যালকনিতে,
উড়ে পড়ে রোজ সকালে ,
এক চিলতে রোদ সোনালি,
ভেজা কিন্তু বেশ খেয়ালী,
কিচিরমিচির কিছু কথা,
কেটে যায় রাতের অলসতা,
কোন সময় হয় দেরী,
ঘড়ি দেখে বসে থাকি,
আজ যে তবে বিশেষ দিন,
তার মুকুটমনির জন্মদিন।

এলে অনেকদিন পরে













অনেকদিন পরে  এলে যেন এক পশলা বৃষ্টি,

পড়ল দুই এক ফোটা মনের ভিতর মিষ্টি,

কই বললে না তো আছ কেমন?

অবশ্য তা হলেও বলতাম আছি একরকম।
কাজল কালো আখি টিপ সরু কপালে,
মুখে টেপা মৃদু হাসি  প্রথম রশ্মি সকালে।
নিজের বলে তো নেই কিছু ছুঁয়েছিল একদিন মন তিয়াশে
রোজ তারে পূজি অহর্নিশ, মনমন্দিরে রাখি মোর পিয়ারে।

বাগানের বাইরে

কখনো তো হয় নি এমনে
গেল যে চলে কথা না বলে,
সামন্য কিছু তোমার কাছে,
পাশে ঘিরে সবাই যে আছে।
অবশ্য তুমি তেমনতর,
রজনীগন্ধা গুচ্ছস্তবক,
মাথা তুলে দাঁড়ানো বাগানে,
সবকিছু  দাও যে বিলিয়ে ।
আমি যে বাগানের বাইরে,
কৃষ্ণচূড়ার গাছ দাঁড়িয়ে,
দেখি রোজ সাদা ফুলকটি,
হেসে খেলে দোলায় যে বেনী,
মিষ্টি মধুগন্ধর সুবাসে,
রাঙিয়ে দিলে সে আশপাশে।
চাইলে পারতাম না ছুতে,
তুমি যে থাকো অনেক দূরে,
একা দাঁড়িয়ে  ধারে পথের,
উড়িয়ে দিই পাতা গাছের,
হয়ত কয়েকটা পড়েছে,
তোমার অনেক আরো কাছে,
একটা কুড়ি না হয় দিলে,
উড়ে আসুক আমার পড়ে।

অদৃশ্য বন্ধন

আমার একটা খুব ছোটো দুনিয়া,
এখানে থাকে ছোটছোট পাখি,
এক ছটাক ভরা ভালোবাসা,
আমি ছুটীর সাথে সুখদুঃখ বাটি।
বিধাতা পুরুষ না মানবী না জানি,
তাই যা দেয়, নিয়ে জ্বালাই চুলা,
কলাপাতার মোড়কে পাই যা খুশী,
অভ্যেসমত বুকে ধরে রাখা।
যখন মন হয় ভারাক্রান্ত,
এলবাম খুলে দেখি বারেবারে,
কই কখনো তো হই না ক্লান্ত,
বাধা দুই জীবন যে অদৃশ্য বন্ধনে।