রদ্দুর

এক চিলতে রদ্দুর ঝাপিয়ে পড়ে রোজ,
আমার মুখের উপর,
জানালার কড়িকাঠের ফাক দিয়ে,
সেই আলো, যাতে নেই আমার অধিকার,
অল্প উষ্ণ কিছু শীতল, পাখির ডাকের মত,
দূর করে ক্লান্তি, আনে নুতন আশা,
আর একদিন দেখা দেবে বলে দেয় প্রতিশ্রুতি,
ওই কিছুক্ষন,
তারপরে রয়ে যায় তার উষ্ণতার রেশ,
ডায়েরীতে লিখে রাখি সময়টা,
আবার ফিরবে কি না কে জানে,
মনখারাপের বৃষ্টি পড়লে খুলব মাঝে,
মনে পড়বে সময়টা যখন এসেছিল একদিন একসময়।।

শেষ ইচ্ছে

আসা যাওয়া পথের ধারে,
আমার কুটির খানি,
উঠোনখানিতে বেঞ্চিপাতা
টেবিল দুটি খালি,
পথিক আসে, কেউ যায় কেউ দাঁড়ায়,
আমি বসে থাকি উনুন জ্বালায়,
চলার পথে কেউ বা যদি আসে,
এক কাপ চা দিতাম তাকে,
ক্ষনিকের ত্বরে শুনতাম কথা,
জীবনের সুখ মেটাতে কিছু ব্যাথা।

আপন তরীতে ব্যাস্ত সবাই,
মন খুলে কথাবলার সময়ও নাই,
তারই মাঝে একজন আছে,
দূরেই থেকেও সে যে কাছে থাকে,
মিষ্টি কথায় মন ভরিয়ে দেয়,
আপন করে জীবন রাংগিয়ে দেয়,
ইচ্ছে মোর নিয়ে যাই তারে উত্তরমেরু
একসাথে বসে দেখব দুজনে সবুজ মেরুন রামধনু,
চা এর কাপে চুমুক দেব,
নিঃশব্দ ধ্বনি শুধু শুনব,
মিটমিটে তারাগুলি হাসবে যখন
একসাথে গুনব তাদের তখন
দেখব শুধু আধারে আলো,
এই জীবনের সবশেষ ভালো।