ভৌত্রত শেষ

আজ ৩০ চৌত্র,ত্রয়োদশী,
সন ১৪২৪ এর শেষ প্রভাত,
ঝাপিয়ে পড়ল সুরজ্যের রশ্মি,
নীল পুকুরের সবুজ জলে।

একেলা তো আমরা সবাই,
তবু কেন ইচ্ছে দোসর করতে,
জন্ম মৃত্যু ঘটনা আমারই,
কেন পারি না আমিই স্থির করতে।

ইচ্ছে করে ডুবিয়ে দিই
আশা আকাঙ্ক্ষা মায়া মমতা,
কোলাহল থেকে দূরে চলে যাই,
ছেড়ে মান অভিমান অনুশোচনা।

হয় না কেন এমন,
যদি পারতাম ভুলতে সবকিছু
শুধু রইবে সবসময় আজ,
কষ্ট পাবে না কেউ কোনকিছু।

Advertisements

ভুলে যাব বলে

সব কিছু ছেড়ে দূরে যাব চলে ?
জ্ঞানের ভান্ডার খুজে পেয়েছি প্রিয়,
কি করে তাই যাব আমি ভুলে,
সেমি কোলনের মত দাড় করিয়ে দিও।

বাকি জীবনটা বেশ চলবে,
সন্সারে গদ্যর সাথে
কিছুটা পদ্য না হয় নিলে,
পড়ে   ফেলে দিতে।

পড় শেষ লাইনটা,
খুজে পাও আমার  মন,
একাকিত্তের কাতরতা,
আচ্ছন্ন করে   জীবন।

মাঝেমধ্যে  হয় চেষ্টা  ,
প্রথম লাইন  কবিতার,
আবেগে যে উপছে পড়ে,
সাহস  কি তাকে বাঁধিবার।

খুঁজে ফিরি

খুঁজে ফিরি তোমায়
আকাশে বাতাসে,
কখনো বা বইয়ের পাতায়
লক্ষ অক্ষরের মাঝে,
জানালার সামনে
বিশাল গাছের পাতার ফাঁকেফাঁকে,
ঘড়ির কাটার
টিকটিক শব্দের মাঝখান।

তোমায় দেখিতে পাই না,
তবু জানি তুমি আছ,
হৃদয়ের অন্তরালে জ্বালিয়ে
ছোট্ট এক আশার আলো।

ওই এক ছোটো আলোর রশ্মি,
ওই এক মিষ্টি সকালে কুহু বেলা।
মন খারাপের দুপুরবেলায় কণ্ঠধ্বনি,
জীবনের শেষ প্রান্তে  গোধুলীর রঙ খেলা।