পাগলপানা

কাটলো সকাল,কাটলো বিকেল,
কি এমন ব্যাপার তাই ভাবো তুমি,
কত কথার মাঝে হারিয়ে যাই,  
তাকিয়ে রই যখন তার দিকে,
এক পলকের নিমেষ, তবু
ডুবে যাই যেন ওই দুটি কালো চোখে।
কি এমন পাগলপানা,
কিছু নাই তো দেবার বাকি,
চাই না কোন মনিমুক্তা দামি সোনা,
হৃদয়ে রাখিও তোমার সুরের সাথি।

sunshine of my life

In dry summer or a cold winter bright,
a shiny day or a stormy night,
I would always wait for you there,
for your caring hand,with mittens a pair.

I see you everywhere,
I see you in everyone,
I feel you in the air I breath,
Just let the hair go down,I can see it.

Let the cloud give you shade,
Let the rain give you cool,
I shall give warmth to your heart,
to spread the message of love.

সাথী

জীবনের সায়ন্তনে পোউছলাম আজ,
নিয়ে অনেক বস্তা অভিজ্ঞতার ভান্ডার,
কত সুখ দু:খ মান অভিমানের পালা,
কিন্তু নাই কোন অভিযোগের ডালা।

শৈশব আমারে হাতছানি দিয়ে ডাকে,
খেলবি আয়, বল দিয়ে ভিজে মাঠে,
কৈশোর বলে প্রিয়া বসে একা ছাদে,
যাবি নাকি এক দন্ড বসতে পাশে।

মার দেওয়া ফুল নিয়ে হলাম জীবনপারি,
ফুল হল গাছ,গাছে বসলো পাখি সারিসারি,
পাখি হল বড়, বসালো নিজের ঘর,
যৌবন ডাকে কেন ফেলে যাস অপযশ,

খেলার সাথী তেমনি বদলে যায়,
কৈশরের প্রিয়া লুকায় সংগীনির পিছে,
জীবনযুদ্ধে সংগীনির মধুর হাসি,
চাপা পড়ে যায় ভারী চশমার নিচে।

আজ রংচং এই দুনিয়ায়,
গোধুলির আবছা আলোয়,
ছানি পড়া ধুসর চোখে,
সবই যেন ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট।

অমুল্য ধন

তুমি যে বড় দামী আমার কাছে,
তাই গোপনে রেখে দেই মনের কুঠারী তে,
সেখানে আছে তোমার ছবি আর কিছু কথা,
ভয় করে, নিয়ে যায় যদি,
কোনদিন কেউ সেই ছবি,
আমার প্রাণপাখী সে যে,
আঁকড়ে ধরি আবার তারে,
আখিটি বন্ধ করে বলে সে যে,
বলতে পারো কোথায় যাই,
পাশে থাকি দুজনার,বলি তাই
হৃদয় মুক বধির শুনবে না ভাষা,
যা চায় ওরা, দিও না কোন বাধা,
জোয়ার ভাটার মত যেন সমুদ্রসন্সার
হাসিমুখে করবে জয় সকল ব্যাথার,
এইটুকু পাওয়া না পাওয়ার নাম
লুকিয়ে আছে সেই ভালবাসার দাম।

touch me with your soul

when you will be sleeping,
I would come to you tiptoe,
and softly whisper before your ear,
you are my little one,don’t you know.

you are in your own dreams,
I shall I wake you up never,
but you are always in my dreams
no one else except you could enter.

In there I live with thee,
in a small hut by the north sea,
you would be busy making clouds,
I would help you making rain.

Be in my dream if you can,
but never go away,
touch me with your soul,
when I feel lonely.

ধুমকেতু আমি আকাশে

এক ধুমকেতু আমি আকাশে
শরীর ধুম্রজালে আচ্ছাদিত,
চরকির মত ঘুরি মহাকাশে,
কোন দিশা নাই প্রকাশিত।

আবেগ ভরে ছুই যারে,
ভালো লাগে মোর শীতলতা প্রথমে,
কিন্তু আমি যে এক জীর্ণ বাস্পহীন,
দূরে সরে যায় অগোচরে।

আমি রাহু কেতুর বংশজ,
নাহি চাই কোন স্নেহাশিস,
তাই মানিনা কোন বিচারধারা,
ঠিক যেন এক কালভোইরব।

চাইলনা কিছু

পুরোপুরিভাবে আমার লেখা,
আমার জীবনের এক দিন,
দিনের শেষে ফিরে দেখা,
একইভাবে চলে দিনের পর দিন।

ঘুম ভাংগলো, উঠতে জড়তা,
যাব কি যাবনা, চলে দ্বন্দ সর্বদা,
তবে আজ ছিল মাথাব্যাথা,
তাই বিছানা ছেড়ে sofa তে শোয়া।

ঘুম হয়েছে কিনা,জানতে ইচ্ছে,
বেচারা কাল হাটতে হয়েছে অদরকারে,
মুখটা ছিল শুকনো শুকনো,
হাটুওতে ব্যাথা ছিল যেন।

ঘুম আর আসেনা আর,
শুয়ে থাকি মিছে বার বার,
অফিস যাব না আর,
বলে দিলাম একবার।

অনেক পরে এল ফোন,
যেন মন্দিরের ঘন্টায় জেগে উঠল মন,
এক মুহুরত কথা তবু
চলে যায় সব অবসাদ।

ঘর অগোছালো, ইচ্ছে করে গোছাতে,
কিন্তু মন পড়ে রয় অন্যখানে,
আম্মা এসেছে,যাক ভাল হল,
পুরো ঘরটা বোধহয় একটু আদর পেল।

মেয়েটা কথা বলে,মাঝখানে,
ভালো আছি,চিন্তা না করতে বলি তারে,
অফিসে আছে,সকাল সকাল,
সবে শুরু আরো কত ঘন্টা।

জোর করে উঠে করি পরিস্কার
রান্না ঘর,কিছু তো করব আর,
মাছ বরফ,আলুতে গাছ,
বসিয়ে দিলাম কড়াই তে কাজ।

যাই এবার স্নান করতে,
ছোটোটা করছে কি জানে,
মনে করতে না করতে ফোন এল,
আমার মতই তো ভাবে যেন।

গলার আওয়াজের অনুভুতি
দিয়ে যায় প্রান ফিরে,
খুশীর আওয়াজ মিলিয়ে বলি,
রান্না আমার হয়ে গেছে আগে,
আমার কথায় কত খুশী সে,
আমার কি হবে,ভাবে সে যে।

দুপুরবেলা ঘুমিয়ে পড়ি,
ঘন্টাখানেক কোন মত সোফাতে,
জ্বর টা বাড়ল একটু,
অশুধ খেয়ে নিই কথামতো।

বিকেল হল, মেসেজ নেই,
ফোনও নেই, গেছে ভুলে,
হল অভিমান,না বলব কথা,
না দেখব লেখা,না করব মনে।

সবকিছু যেন ফাঁকাফাঁকা,
সারাটা দিন না টিভি দেখা,
সবনিয়ে হয়ত মিনিট পাচেক হবে,
বাইরের সাথে কথা বলা।

হঠাত যেন বৃষ্টি এল,
ঘন কালোমেঘে অসাধারে বরষন,
তার কলকলানিতে কোথায় গেল,
ধুয়ে মনের কালিমা যেমন।

এইজন্য তো সে মায়াময়ী
সব জানে আমার,প্রতি মুহুরত,
তাই ২৪ ঘন্টায় মাত্র হল দুই পল কথা,
জানি আমি,সাথি আমার জানে মনের ব্যাথা।

রাতে ঘুমোবার আগে,প্রস্ন করে আবার,
দিনের শেষে,ছোটোর ছোয়া বালিসে ঘুমোবার,
কত না চিন্তা করে সবার জন্য,
কই মুখ ফুটে চাইলনা কিছু।