খুশীর মেজাজ

ইশ্বর যেন একজন কচি শিশু,
সাবানের বুদবুদ তৈরি করায় ব্যাস্ত,
আমরা সবাই সেই বুদবুদ,
উড়ে বেড়াই এই ভূমিতে,
সবাইয়ের আলাদা আলাদা স্থান,
তবে কোনোটা ছোটো কেউ বড়,
কেউ গোল বলাকার মত,
কেউ বা একটু ডিম বা আপেলের মতন,
ভাসতে ভাসতে কেউ আবার আটকে পরে,
আর এক বুদবুদের সাথে,
উড়তে থাকে হাওয়ায়।
আলোর ঝলকানিতে তারা হয় রংগিন,
ইশ্বরের খুশীর বারতা পৌছে দেয়,
প্রকৃতির সব যায়গায়।
ফুটে গেলেও ক্ষতি কি,
আছে তো আরো অনেক
তারা তো আছে,
ছড়িয়ে দিতে হাল্কা খুশীর মেজাজ

নুতন করে চেনা

ভাজ করা থাকে সকালের কাগজ টা,
টেবিলের উপর বিকেলবেলায়,
বাড়ি ফিরে বসি ফরাসটায়
হাতে চায়ের কাপটা।

রোজই ভাবি কাগজ পড়নি তুমি,
সেই একই ভাবে পরে আছে,
গতদিনের খবর,
ভেবেছি তখন তুমি কত উদাসীন।

কাগজ পড়ার ফাকেফাকে,
দেখেছি কতবার আড়াল দিয়ে,
তোমার সাজের ধারা বিকেলটায়,
আয়নার সামনে দাড়িয়ে,
নিশ্চল নিশ্চুপ,
চাপা ঠোঁটের দুটি চুলের কাটা,
দুই হাত দিয়ে বেণী পাকিয়ে,
হেলানো একদিকে মাথাটা।

কি অসীম ধৈরজ্য ধরে একে দিলে,
বাদামী চোখের চারিদিক,
কালো বন্কিম রেখা,
দুই হাতের চুড়ি বালা,
ঠুনঠুন করে জানিয়ে দিল স্বিকৃতী।

শাড়ি র আচল টা দিলে একটু ঢিলে কোথাও,
একটু আটশাট এখানে সেখানে,
যেন পরিপাটি এক কবিতা,
ভুল ভেংগে যায় তখনই,
তুমি যে সুন্দর,
সকালে পড়েছ খবরের কাগজটা,
তারপর ভাজ করে রাখা,
যেমনটি এসেছে সকালবেলা,
সামান্য জিনিশটিকেও তোমার অসামান্য যত্ন যে।।