ছোটোবেলায় দেখতাম লেকের পাশে,জোড়ায় জোড়ায় সব বসে আছে,হাত ধরাধরি, কাধে মাথা রাখি,কৃষ্ণচূড়ার নিচে বলা, গোপন কথাটি। তখন জানতাম, শুধু প্রেম-খেলা বলে,এখন তাই, valentine নামে চলে,বলতাম তাদের, ভাগ্য করে এসেছিস,এত কম বয়সে প্রেমখেলা খেলছিস। বিধাতার চিন্তাধারা হয়ত ছিল অন্য,পুতুলখেলার ছলে সন্সার শিক্ষা যেন,অনুশোচনা আর বিবেকের লড়াইএ,শিখি ভালোবাসার গভীরতম অর্থ। “আমার সোনার টুকরো ছেলে”মা যখন বলত,ফিরতে দেরি… Continue reading ভালবাসার রঙ
Category: Uncategorized
‘দিপের আলো
রোশনাইয়ের আলোতে,জৌলুষ ঝলমল করে,কিন্তু অন্তরের মিষ্টতা,সে তো প্রকাশ পায়,সামান্য দীপের আলোতে,
খেলা
একদিন খেলার ছলে দেখেছি তোমায়,কয়েক মুহুরত মাত্র, সাথি ছিলেআজ হারিয়ে গেছে হয়ত সেই সময়,কিন্তু তুমি যে মিশে গেছ মোর ধমনিতে। তোমার সৌরজগত ভাব তুমি আলাদা,তোমার সন্সার সাথী বন্ধু সকলআমি যে তোমার জগতে ধুমকেতু,যুগ যুগান্ত ধরে যাই ঘুরে, পোশাক অদল বদল। আমার কাছে ভালবাসা এক বোধশক্তি,তোমার আনন্দ,তোমার ব্যাথার সাক্ষী,যে কটি পল, কাটাই সময় কাছেপিঠে,তোমার দীপশিখার উষ্ণতার… Continue reading খেলা
পিছুটান
এই ব্যাপারটা আমার হয়সবসময়,পাইনা কোন কারন খুঁজেপেতে,তোমায় যখন দিই বিদায়,তুমি যাও চলে মন্দগতিতে,আমি থাকি দারিয়ে ঠায়,তোমার প্রস্থান দেখতে দেখতে,ভীষণ আবেগে বলি মনে,“ফিরে তাকাও না প্রিয়ে”প্রতিবার তুমি দাঁড়াও মুহুরত,গ্রিবা ঘুরিয়ে দেখো ফিরত,সেই এক পলকের দেখা,আমার কাছে মিষ্টি মধুর ব্যাথা।
মেঘের দেশ
এক উড়ে যাওয়া মেঘের দেশেরাজকন্যা এক দেয় হাতছানি,মেঘবরণ ঘন কালো চুল,রবির আলোয় আলোকিত কপোলখানি। সারি সারি বক পাখি যায় পাশে,নীল আকাশ যেন চিরে দুইভাগ,বিরাংগনা মেঘকন্যা অদৃশ্য আড়ালে,লিখে যায় ভবিষ্যতের দাগ।
বিড়ম্বনা
অশান্ত মন খুজে বেড়ায় সুখ,সন্সার বিলিয়ে বেড়ায় দুখ,সুখ দু:খের মাপকাঠিতে বিড়ম্বনা,মনের কুঠারিতে অসমাপ্ত বেদনা। কেউ খুজে বেড়ায় মান,কেউ মমতা করে দান,অভিমানে কেউ ফেলে অশ্রুজল,সারাজীবন বিরহাতুর আচল। একতারা হাতে বাউল খোজে তারে,জীবন গাথার সুর বাধবে যে সাথে,নদীর পাড়ে চলবে তারা নেচে নেচে,অনন্ত সুখ যে সেথায় পাবে সে যে।
সময়ের দাম
যত বার ভাবি উড়ে যাব,কে যেন টেনে রাখে আমায়,তাই মনকে দেই উড়িয়ে,আকাশ পানে মেঘের কাছে,ভিজে তুলোয় লিখে রাখি,কিছু কথা যা ছিল বাকি,সময়ের কুঠারিতে দিই ভরে,সময় হলে পড়ে দেখবে সে।
নীলাঞ্জনা
নীলাঞ্জনা, নয় সেই কিশোরী,নীললোহিতের আজকের নীল চোখে,আমার কাছে যে সে স্কার্ট পরা,এক পায়াড়া চুলে লাল বাধা ফিতে,বলতাম কি অত দেখিস তুই,নীললোহিতের দিকে তাকিয়ে?আজ বুঝি, তুই দেখেছিস, নীলের দিলখোলা হাসিটা নীলের সাদা চুলে, নীলের পাশে আছিস ঠিক তেমনই,যেমন ছিলিস চার দশক আগে।
সুখ
আমার বেচে থাকার সমস্ত ইচ্ছা,দুই বিন্দুতে ঘোরে সর্বদা,এক বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আমার মেয়ে,অপরটায় বসে তার মা। নিজের সন্সারে মশগুল তারা,দৌনিক জীবন রংমশাল হাতে,হাসি কান্নায় রান্নাবাটি করা,ভেজা চোখে দেখি আমি,দূরে থেকে। কতকিছু আসে মনে,দুইহাত দিয়ে করি আড়াল,ছোট্ট দুই প্রদীপটি আমার,আলো করে দুই সন্সার। আমি যে পারিনা কাছে যেতে,পারিনা যে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে,পারিনা কেন জরিয়ে ধরতে বুকে,চিরকাল… Continue reading সুখ
রেললাইন
আমরা কিছুজন,রেললাইন কয়েক যোজন,রোদ বৃষ্টি বরফে,নাড়িবার জো নাই রে।কতকিছু যায় চলে,বুকের উপরে খরখরিয়ে,পাথরের উপর চুপচাপ,কথা বললে বড় পাপ।সাথী আমার যায় সমান্তরাল,বয়ে যায় জীবন অনন্তকাল,তবু এক সান্তনা আছে শেষ হব তবে একসাথে।
You must be logged in to post a comment.