সাথী

জীবনের সায়ন্তনে পোউছলাম আজ,নিয়ে অনেক বস্তা অভিজ্ঞতার ভান্ডার,কত সুখ দু:খ মান অভিমানের পালা,কিন্তু নাই কোন অভিযোগের ডালা। শৈশব আমারে হাতছানি দিয়ে ডাকে,খেলবি আয়, বল দিয়ে ভিজে মাঠে,কৈশোর বলে প্রিয়া বসে একা ছাদে,যাবি নাকি এক দন্ড বসতে পাশে। মার দেওয়া ফুল নিয়ে হলাম জীবনপারি,ফুল হল গাছ,গাছে বসলো পাখি সারিসারি,পাখি হল বড়, বসালো নিজের ঘর,যৌবন ডাকে কেন… Continue reading সাথী

অমুল্য ধন

তুমি যে বড় দামী আমার কাছে,তাই গোপনে রেখে দেই মনের কুঠারী তে,সেখানে আছে তোমার ছবি আর কিছু কথা,ভয় করে, নিয়ে যায় যদি,কোনদিন কেউ সেই ছবি,আমার প্রাণপাখী সে যে,আঁকড়ে ধরি আবার তারে,আখিটি বন্ধ করে বলে সে যে,বলতে পারো কোথায় যাই,পাশে থাকি দুজনার,বলি তাইহৃদয় মুক বধির শুনবে না ভাষা,যা চায় ওরা, দিও না কোন বাধা,জোয়ার ভাটার মত… Continue reading অমুল্য ধন

touch me with your soul

when you will be sleeping,I would come to you tiptoe,and softly whisper before your ear,you are my little one,don’t you know. you are in your own dreams,I shall I wake you up never,but you are always in my dreamsno one else except you could enter. In there I live with thee,in a small hut by… Continue reading touch me with your soul

ধুমকেতু আমি আকাশে

এক ধুমকেতু আমি আকাশেশরীর ধুম্রজালে আচ্ছাদিত,চরকির মত ঘুরি মহাকাশে,কোন দিশা নাই প্রকাশিত। আবেগ ভরে ছুই যারে,ভালো লাগে মোর শীতলতা প্রথমে,কিন্তু আমি যে এক জীর্ণ বাস্পহীন,দূরে সরে যায় অগোচরে। আমি রাহু কেতুর বংশজ, নাহি চাই কোন স্নেহাশিস,তাই মানিনা কোন বিচারধারা,ঠিক যেন এক কালভোইরব।

চাইলনা কিছু

পুরোপুরিভাবে আমার লেখা,আমার জীবনের এক দিন,দিনের শেষে ফিরে দেখা,একইভাবে চলে দিনের পর দিন। ঘুম ভাংগলো, উঠতে জড়তা,যাব কি যাবনা, চলে দ্বন্দ সর্বদা,তবে আজ ছিল মাথাব্যাথা,তাই বিছানা ছেড়ে sofa তে শোয়া। ঘুম হয়েছে কিনা,জানতে ইচ্ছে,বেচারা কাল হাটতে হয়েছে অদরকারে,মুখটা ছিল শুকনো শুকনো,হাটুওতে ব্যাথা ছিল যেন। ঘুম আর আসেনা আর,শুয়ে থাকি মিছে বার বার,অফিস যাব না আর,বলে… Continue reading চাইলনা কিছু

সময় করে ভরে দিও

ঝড়ের পরে ঘর আর ঘর নেই,চুন সুরকির ইমারত শুধু তাই,মনে এক পোছা রঙ লাগিয়ে ঘুরি,হৃদয়ে কখনো করি আকাঝুকি,সময় পেরিয়ে গেছে হয়ত অনেক,চাওয়া পাওয়ার সিঁড়ী রয়ে পিছনে,তাই নেই কোন ইচ্ছা,নেই কোন স্পৃহা,শুধু দুটি কথা,যা বলার নয়,লিখে শুধু রাখা,পাতা নড়বে,আবার বৃষ্টি পড়বে,নতুন রংগে রামধনু হয়ত দেখাবে,ঘাসের উপর খালি পায়ে হাটতে,হয়ত কেউ আবার বলবে,তবে,তোমার হাসিতে যে জন হত… Continue reading সময় করে ভরে দিও

জীবনজ্যোতির আলো

মানুষ টা কিন্তু আমি আগের মতই সেই,কিন্তু মন তো আগের মত নেই,ছোয়া লাগে যখন মনে প্রাণে,বিদ্যুৎচমক যখন আলো আনে,রইনা আমি সেই আগের আমি,ব্যাথা বেদনার সব ভুলে যাই জানি। মন তাই অন্যরকম হয়ে গেছে,   নুতন সুরের সিতার বাজে তাতে সেইমধুর সুর, শুনবে না কেউ কোনদিনথাকবে ঢাকা তোমার থেকে অনেক দূরে। কিন্তু ভাবি,এখন না হয় পারলাম,দড়িতে গিট বেধে… Continue reading জীবনজ্যোতির আলো

প্রতিদিনের ঘটনা

আমার কাছে প্রতিদিন, একটা স্লেটে লেখার মত ঘটনা,তোমায় আমায় নিয়ে,হয়ত তুমি বুঝবে না। আমার কাছে অনেক অপরিপূর্ণহয়ত তাই কেন অতি সামান্য,গভীর দাগ রেখে দেয় কোনকই মেলে না কখন অন্য। আসলে মানুষটাই তুমি যেন একপাপড়ি খোলা গোলাপ,নিজের সমস্ত ভালো দিতে চাও ছরিয়ে,আমাদের ভাগ্য,তোমায় কাছে পেয়ে। আসি যখন ছেড়ে তোমায়,দূর থেকে দেখি,আছ দাঁড়ায়,ঠিক যেন সেই গোয়ালিনী,ঘোমটাপরা মধুরহাসিনী।

অপরূপ

শুভ্রজোতস্নার কোমলতা তুমি,সবুজ ঘাষের উপর অশ্রু তুমি,কখনো ভগিনী,কখনো বা জননী,কখনো বা প্রিয়া মধুরভাষীনি,কখনো বা অন্নপূর্ণা, কখনো বা মেনকা,একই অংগে এত রুপ দেখি,তাই তো তোমায় সদা প্রনমি।

হারিয়ে যেতে যেতে

হারিয়ে যেতে চায় মন,হাজার লোকের মাঝে। বৃষ্টি ভেজা পথ,দুটি হাত ধরে যাওয়া,হল না তো এই জীবন,তবু দেখে বড় ভাল লাগে,যখন তোমাদের দেখি যেতে,কাছে পাওয়া,কথা বলা,খুনশুটি পাশাপাশি,দেখতে বড় ভাল লাগে। তাই আজ হারিয়ে যেতে চায় মন,হাজার লোকের মাঝে,চাই না কিছু চাওয়া পাওয়া,ফেলে রেখে দিয়ে যেতে চাই,আমার সেই মনটা,সময় অসময়ে যে করে বিড়ম্বনা। আজ থেকে বহু বছর… Continue reading হারিয়ে যেতে যেতে