মা দিবসে

ধন্য এই মা দিবস,একটু তো মনে পড়ল,মা বলে একবার ডাক শুনতে,তবে সত্যি বলতে কি জানিস,আজ সকাল থেকে মনে হয়,একদিনের জন্য আমাকে মাসি বলিস,একদিনের জন্য চাই না কোনো চিন্তা,মাথাতে ঘুর ঘুর করে যা সবসময়,টিফিন কি হবে,দুধ আছে কি নেই,কাজের মাসি এলো না বোধহয়,রান্না কখন চাপাবো,আলু পেয়াজ নেই,কাকে পাঠাই বাজারে,সবাই ঘুমোচ্ছে,যাহ গ্যাস শেষ, সিলিন্ডার বদলাতে হবে,ইস সোফা… Continue reading মা দিবসে

খুশীর মেজাজ

ইশ্বর যেন একজন কচি শিশু,সাবানের বুদবুদ তৈরি করায় ব্যাস্ত,আমরা সবাই সেই বুদবুদ,উড়ে বেড়াই এই ভূমিতে,সবাইয়ের আলাদা আলাদা স্থান,তবে কোনোটা ছোটো কেউ বড়,কেউ গোল বলাকার মত,কেউ বা একটু ডিম বা আপেলের মতন,ভাসতে ভাসতে কেউ আবার আটকে পরে,আর এক বুদবুদের সাথে,উড়তে থাকে হাওয়ায়।আলোর ঝলকানিতে তারা হয় রংগিন,ইশ্বরের খুশীর বারতা পৌছে দেয়,প্রকৃতির সব যায়গায়।ফুটে গেলেও ক্ষতি কি,আছে তো… Continue reading খুশীর মেজাজ

নুতন করে চেনা

ভাজ করা থাকে সকালের কাগজ টা,টেবিলের উপর বিকেলবেলায়,বাড়ি ফিরে বসি ফরাসটায়হাতে চায়ের কাপটা। রোজই ভাবি কাগজ পড়নি তুমি,সেই একই ভাবে পরে আছে,গতদিনের খবর,ভেবেছি তখন তুমি কত উদাসীন। কাগজ পড়ার ফাকেফাকে,দেখেছি কতবার আড়াল দিয়ে,তোমার সাজের ধারা বিকেলটায়,আয়নার সামনে দাড়িয়ে,নিশ্চল নিশ্চুপ,চাপা ঠোঁটের দুটি চুলের কাটা,দুই হাত দিয়ে বেণী পাকিয়ে,হেলানো একদিকে মাথাটা। কি অসীম ধৈরজ্য ধরে একে দিলে,বাদামী… Continue reading নুতন করে চেনা

প্রথম ডাক সকালের

আজ প্রখর তাপ, শাল পিয়ালের বন শুকিয়ে হয়েছে কাঠ, রাতের ঘোমটা কাটানোর সময়টা, প্রথম রবিরশ্মির তখনও হয় নি দেখা, ভোরপাখির মিষ্টি কিন্কিনী কুহুতান, সেই সময় ডাকি আমি আমার মনের আপন প্রাণ, সবার মাঝে ভাল থাকুক দিল দরিয়ার এই দান।

সুপ্ত ইচ্ছেগুলি

সুপ্ত ইচ্ছেগুলি বাক্সবন্দী রেখেছি,সবই সামান্যই সাধারন,অপূর্ণ রইবে জানি,পার্সেল করে পাঠিয়ে দিলাম,ঠিকানাটা তোমার লিখেছি। ভালোলাগাটা একটু অন্যরকম জেনেছি,তোমার থেকে, নতুন করে দেখা,অন্য মনোভাব দিয়ে,একা নয় একসাথে বসা,নীরবে হাতখানি ছুয়ে। ভাল লাগে বেশ গুনতে,রাতের কালো আকাশে মিটমিটে তারা,সমুদ্র তীরে ঢেঊগুলি পড়ে আছড়ে,শীতকালে স্লো মোশনে পড়া পাতা। বাক্স পেলে রেখ মনের আলমারি,লাগবে তোমার কখনো বৃষ্টি পরা সন্ধ্যায়,খুলে দেখ… Continue reading সুপ্ত ইচ্ছেগুলি

কোথায় পাব তারে

খুজে বেড়াই তারে আমি আমার মনের মানুষ সে যে, শহর গায়ের পথে পথে কলাবাগানের পুকুর ঘাটে, শিউলি যুইয়ের নুয়ে থাকা লতানে পাতার মাঝে, জোতস্না রাতে মৌ ফুলের ম ম গন্ধের সুবাসে, খুজে বেড়াই তারে নদীর নোনা বালির চড়ায়, যেথায় শীর্ণকায় জলধারা আপন মনে ধায়, ফরিং নাচে তিরিতিরি ধানের শিষের মাথায়, ঠিং ঠিংগে বকগুলি গরুর পিঠে… Continue reading কোথায় পাব তারে

মন আমার

আমি যদি না হতেম আমি, উড়তাম বেলুন দোলায় আকাশে, মেঘের সাথে খেলতাম লুকোচুরি, কথা আমার ভেসে আসত বাতাসে। আমার যদি না থাকত ঘর বাড়ি, হতাম কোন বইয়ের মলাটে লেখা, দেরাজে গুছিয়ে রাখা বই সারি, দেখতাম তার সন্সার পুতুল খেলা। মনটা আমার কখনো কাছে থাকেনা, পালিয়ে বেড়ায় খোলা মাঠের ঘাসেতে, আসবে কেউ সারাদিন করে অপেক্ষা, দিনশেষে… Continue reading মন আমার

অনুশোচনা

ছোটো ছেলেটি সাগরতীরে ছিল অনেকক্ষন, বয়স তার হবে ছয় কিংবা সাত, নিশ্চুপ দাড়িয়ে, ঢেউগুলি খেলায় মত্ত তখন, তাকিয়ে ছিল অস্তাচলের দিকে অবাক। ফেনাগুলি যেন বার বার এসে ফিরে, ধুইয়ে ছোটো ছোটো দুই কমল চরন, কোন এক অজানা শক্তি আছে ঘিরে, শিশুটির সমস্ত অবয়ব করে আভরণ। কৌতুহলি আমি গিয়ে উপস্থিত তার পাশে, চাপা স্বরে শুনি আনমনা… Continue reading অনুশোচনা

আশার শক্তি

ছোট্ট পাখিটা চড়ুই কি বুলবুলি, সকাল থেকে যাচ্ছে দেখছি কুড়িয়ে শুকনো ডালপালা কত কি কুটিকুটি কদমগাছটার মাথায় গেল সে নিয়ে। যত্ন করে বাধল ডগায় বাসাটা, একা একা সাজালো ভিতর ঘর শক্ত ভেজা ডালে পাতায় ঢাকা, নিচে পড়বার নেই কো কোনো ডর। সেই গাছে কোঠরে এক কাঠবিড়ালি, দৌড়ায় এখানসেখান সারাদিন উপরনিচ, পেয়েছে যে সে এক কোঠাবাড়ি,… Continue reading আশার শক্তি

যদিও থাকি দূরে

অনেক দূরে থাকি আমি, চাঁদ তারা যেমন থাকে, ওই দূরে থেকে দেখি আমি, বাদামী আখিতে যখন অশ্রু ভাসে। দিনের আলোয় দেখ নি কখনো, আমি কিন্তু থাকি পাশে, গভীর রাতে তুমি যখন স্বপ্ন দেখ, পাহারাদার আমি দাড়িয়ে। শোয়ার আগে দুটি মিষ্টি, মনের কোণে আনো যদি, আকাশপানে যদি তাকাও, মিটিমিটি হাসছি আমি।