ভোর বেলা

আমার ভাংগা ঘরের ব্যালকনিতে,উড়ে পড়ে রোজ সকালে ,এক চিলতে রোদ সোনালি,ভেজা কিন্তু বেশ খেয়ালী, কিচিরমিচির কিছু কথা,কেটে যায় রাতের অলসতা,কোন সময় হয় দেরী,ঘড়ি দেখে বসে থাকি,আজ যে তবে বিশেষ দিন, তার মুকুটমনির জন্মদিন।।

এলে অনেকদিন পরে

অনেকদিন পরে  এলে যেন এক পশলা বৃষ্টি, পড়ল দুই এক ফোটা মনের ভিতর মিষ্টি, কই বললে না তো আছ কেমন? অবশ্য তা হলেও বলতাম আছি একরকম। কাজল কালো আখি টিপ সরু কপালে, মুখে টেপা মৃদু হাসি  প্রথম রশ্মি সকালে। নিজের বলে তো নেই কিছু ছুঁয়েছিল একদিন মন তিয়াশে রোজ তারে পূজি অহর্নিশ, মনমন্দিরে রাখি মোর পিয়ারে।

বাগানের বাইরে

কখনো তো হয় নি এমনেগেল যে চলে কথা না বলে,সামন্য কিছু তোমার কাছে,পাশে ঘিরে সবাই যে আছে। অবশ্য তুমি তেমনতর,রজনীগন্ধা গুচ্ছস্তবক,মাথা তুলে দাঁড়ানো বাগানে,সবকিছু  দাও যে বিলিয়ে । আমি যে বাগানের বাইরে,কৃষ্ণচূড়ার গাছ দাঁড়িয়ে,দেখি রোজ সাদা ফুলকটি,হেসে খেলে দোলায় যে বেনী,মিষ্টি মধুগন্ধর সুবাসে,রাঙিয়ে দিলে সে আশপাশে। চাইলে পারতাম না ছুতে,তুমি যে থাকো অনেক দূরে,একা দাঁড়িয়ে … Continue reading বাগানের বাইরে

অদৃশ্য বন্ধন

আমার একটা খুব ছোটো দুনিয়া,এখানে থাকে ছোটছোট পাখি,এক ছটাক ভরা ভালোবাসা,আমি ছুটীর সাথে সুখদুঃখ বাটি।বিধাতা পুরুষ না মানবী না জানি,তাই যা দেয়, নিয়ে জ্বালাই চুলা,কলাপাতার মোড়কে পাই যা খুশী,অভ্যেসমত বুকে ধরে রাখা।যখন মন হয় ভারাক্রান্ত,এলবাম খুলে দেখি বারেবারে,কই কখনো তো হই না ক্লান্ত,বাধা দুই জীবন যে অদৃশ্য বন্ধনে।

বিধির নিধান

ঝড় তুফানের সাথেআমার সমপরক বেশযখন চাই ভালবাসতেখোড়া করে দিল শেষমেষ।ঝপাং করে আসাকত কাজের ফাকে ফাকেযেন এল বৃষ্টি এক পশলাঅনেক দিনের পরে।কিছু ভাবি যদি, হয় অন্য কিছুপেলাম যদি কখনো খুশীফিরে এল যে তুফান পিছুপিছুযেটুকু ছিল,উড়ে গেল তখুনি।ইছছে করে বসবে পাশে,গুনগুনিয়ে গাইবে গানকিছু অনুরাগের মাঝেরইবে টুকরো মান অভিমানআমি তো সেই একই আছিনা হয় সবাই গেছে চলেমুহুরতের শ্পর্শ… Continue reading বিধির নিধান

চন্দ্রমা

ইশান কোণে উঠেছিল চাঁদ যখন,গোধুলীর ধুলি ছিল আকাশে,কালো ঘোমটাব ফাকে উকি দিয়ে  তখন,বলে “যুগে যুগে আসব ফিরে কাছে”।আমি যে একই,নীল রুপালী,কখনো বা আজকের মত কমলা,জোতস্না কিন্তু সদা শুভ্র নিলাদ্রি,ঢেলে বেড়াই সদা ভালবাসার লালিমা।

সেই জন

তবু সবাই আছে তো ভাল,তাই স্বস্তি,অন্য কটা দিনের মত নয়,আজ যে সবাই ঘরে রয়,ঠাট্টাতামাসা খেলাধুলা,গল্পগুজব খেয়ালীপনা,নিজের মত সময় নেই,কিন্তু সবাই ভাল তাই ই সই। ওই যে সেই জন দূরে যে আছে,খবর হল না নেওয়া,নিসচই সে ও ভাল আছে,কি জানি কি করছে এখন,হয়ত জানালায় দাঁড়িয়েশুনছে ভেসে আসা ভ্রমরেরকরুন গুঞ্জন।[অপেক্ষা সেই তখন থেকেকখন আসবে কফোন,তুলি আমি দুবার… Continue reading সেই জন

শত নাম

ক্ষতি কি, না হয় হলেই বা মৃণালিনী,যখন তুমি থাকো একা আনমনে,ঠিক সেই বজরায় দাঁড়ানো দেবী চৌধুরানী। ফুল বাগিচায় হাস্নুহানা,বিদ্যাধরী পদ্মাবতী,যখন তুমি আকায় মগ্নঠিক যেন স্বরস্বতী। হলেই বা মা যশোদা,মমতা ভরা আচল খানি,সদা সর্বদা আশীষ ভরা,আমার তুমি ভুবনমোহিনী। জানি তুমি লক্ষী হয়েবিরাজ তোমার আপন ঘরে,মনের মাঝে আমি তোমায়রাধার মত রেখেছি সেজে।

মা

কেমন জানি মনে হল,তুমি মোড়ায় বসে,উঁচুতলা ব্যাল্কনিতে দুপুরবেলা পিঠ ঠেকান,কালো ঘন চুলে মেঘলা করা কাধে ঝুলে,সোনালি চশমা চোখে, কিছু পড়ছ যেন। দেখি এক চঞ্চল শিশু,খেলে তোমার পিছুকবরী ধরে,উতফুল্ল প্রান,নিঃসংশয়ে দিল টান। তুমি ফিরে তাকিয়ে, দিলে এক বকুনি,উত্তর পেয়ে শিশুমন চঞ্চল আরো তখুনি,লতাপাতা ভেবে দিল সে কামড় বেণীতে,তর্জনী তুলে গম্ভীর স্বরে শ্পর্শিলে তারে। খেলা বন্ধ রেখে… Continue reading মা

শুষ্কতা

সকল ধারাযখন শুকায়ে যায়পৃথার মাটিযখন কাদে নিরালায়,উদয় তখনদূর দিগন্তেএকটুকরা আশার আভা,রক্তিম সুরজ্যের শোভাআগামীকালের নুতনেরবারতা জানায়, কয়েক ফোটা বৃষ্টি বরষনেরঅপেক্ষায়।