সাঁঝের বেলায় রবি যখন পড়বে ঢোলে,বাঁকা চাঁদ যখন উঁকি দেবে আকাশের কোলে,পাখিরা যখন ফিরে যাবেঘরে দলে দলে,অন্ধকারের কালো যখন পড়বেপুকুরের জলে,আমার যে যাওয়ার পালা তখন,ব্যাস্ত তোমরা জানি সবাই তখন,বন্ধ বাক্স তে রয়েছেএক মালা শুকনো,পারো যদি তুলে নিও,দুই হাতে পড়ে নিও,তার পরে ছিড়ে দিও,নদীর জলে ভাসিয়ে দিও।
স্মৃতি টুকু
আমার বাবার কথা কাউকে বলা হয় নি কোনদিন,কেউ জানতেও চায়নি,আর বলার সুযোগ হয়নি। তাই সব চিলেকোঠার ঘরে মনের ভিতর রেখে দিতাম। তিনি ছিলেন একাধারে বিজ্ঞানী, লেখক, চিত্রকার,শিক্ষক।৮০ র দশকে বাংলায় প্রথম বৌজ্ঞানিক বিষরের আধারিত পত্রিকা ,নাম ছিল “বিজ্ঞানী” প্রকাশিত হয়,ত্রইমাসিক পত্রিকা, তিনি ছিলেন তার editor,বাংলার গ্রামগঞ্জের স্কুলে স্কুলে বিতরন হত। সমসাময়িক বিজ্ঞানের জ্ঞান পৌছে দেওয়া… Continue reading স্মৃতি টুকু
I wish i could
I always liked to listen to you, Rather than talking, You preferred hearing me, I could speak nothing. While you were looking at the mirror, busy am i reading books, Should have said then just, “How pretty do you look”.
একাকিত্ত
তোমার ভাষায় একাকিত্ত, পরনের বসন শুধু, একা সবাই এই পৃথিবীতে পরিবর্তন হয় শুধু মনচিত্ত, ক্ষনকালের ভাবনা কিছু। জীবন নদির খেয়াতে বসে, আমরা চালাই আপন খেয়া, জলের স্রোতে চলে ভেসে, কাটিয়ে দিই সারাটি বেলা। কখন কখনো ওঠে যাত্রি, একটা দুটি হয় কথা, সাথী কয়েক দিন রাত্রি, তার আগে পরে সেই একা। নুতন করে কিছু ভাবা, নুতন… Continue reading একাকিত্ত
গাইতে বলা
বেশ উঠেছে রোদ্দুর টা, সাথে ফুরফুরা বাতাসটা, বকে দিলে এক ঝলক শব্দ, ঠিক যেমন গরম তেলে পড়া পাচফোরন জব্দ, কত কি কাজে ব্যাস্ত তোমরা, সন্সার ভরন পোষণ, কিছু নিয়ম কানুন, গন্ডি কাটা দুনিয়া। তাকিয়ে দেখোনা, গাছের পাতায় পাখিটি, কিচিরমিচির করে সারাবেলা, আছে সংসার তোমার মতটি, তবু রোজ সকালে ডাকে কুহু, জানায় প্রভাতের আবির্ভাব, নতুন জীবনের… Continue reading গাইতে বলা
শ্রাবনের ক্ষন
দৃষ্টি চলিয়া যায় দূরে বহুদূরে খোলা জানালার বাহিরে, গাছের পাতায় অশান্ত বৃষ্টির ফোটাগুলি পড়িল নজরে, মনগ্লানি যত শ্রাবনের প্লাবনে ধুইয়া যায়, এক নুতন কোন মিলনের প্রতিক্ষায়। বরষনের তালে কেকা পেখম নাচায় তিরিতিরি, মধুর অভিসারে আসিবে যে তার প্রিয়া আজ ফিরি, সহসা বিদ্যুৎ চমকিয়া ফিরায় সম্বিত, যেন মোর প্রিয়ার নুপুর পশিল কানে চকিত। আমি যে মলহার,… Continue reading শ্রাবনের ক্ষন
হাফ প্যান্ট পড়া নিরীহ ছেলেট
হাফ প্যান্ট পড়নে নিরীহ ছেলে পটলা, ন্যাড়া মাথা,সবসময় নাকে সর্দি লেগে আছে,সারাদিন পাড়া ঘুরে বেড়াত।আর পাড়ার সমস্ত দাদা দিদি মাসি পিশির ফাই ফরমাস কাজ করে দিত। এক পায়ের চটিতে সেফটি পিন লাগানো, তবুও কারুর ডিম পাউরুটি, চা, ভারি ব্যাগ বয়ে দেওয়া,ছোটোখাটো বাজার করে দিতে ওস্তাদ। বিশেষ করে ঝুমিদিদির কাজ গুলি। ঝুমিদিদিও ফ্রক পড়ে, মাথায় লাল… Continue reading হাফ প্যান্ট পড়া নিরীহ ছেলেট
পদ্মপাতা ও বৃষ্টি র ফোটা
অনেকটা পদ্মপাতা ও বৃষ্টি র ফোটা কাহিনী **বৃষ্টির ফোটা মেঘে তে ভেসে বেড়াচ্ছিল বেশ,হঠাৎ এলো এক উথাল পাথাল, ছিটকে পড়ল সবাই,কে কোথায়।মাটিতে এক পুকুরের মাঝে ভাসছিল এক পদ্মপাতা,এক টা ফুল আর ডাল পালা নিয়ে ঘর তার। সকালে পাপড়ি মেলে তাকানো,সারাদিন হাস পাখির সাথে খেলা করে,পদ্মপাতার জীবন চলে যায় একভাবে,বেশ ছিল বেশ। পদ্মপাতা বাতাসে তিড়িতিরি করে… Continue reading পদ্মপাতা ও বৃষ্টি র ফোটা
ফিরে আসা
বেশ কাটালে দিন কয়েক, একঘেয়ে জীবন খানেক, তবুও তাতে আছে আনন্দ, জীবনটা সাজিয়ে রাখা, নিজে করার কিছু পছন্দ, যেন সদ্য আকা আলপনা। আমি দেখি দূর থেকে, তুমি দাড়িয়ে আড়শী হাতে, দৃষ্টি কিন্তু বহু দূরে, হাতছানি দিয়ে কে যেন ডাকছে।
আমার পাওনা
কখনো কখনো যখন বাতাস থমকে যায়,যখন রবির আলো ভূমিতে না পোউছায়,যখন নিশ্চল থাকেগাছের পাতা,তখন কিছুক্ষনের সেই শব্দ নীরবতা,হয়তো একটুকুইআমার পাওনা।
You must be logged in to post a comment.